আজ ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম জেলাপরিষদ কর্তৃক সন্দ্বীপ উপজেলায় ১৪কোটি ৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে তৈরি হচ্ছে আধুনিক গুপ্তছড়া নৌজেটি বা নৌ বন্দর

 
মোঃ নেয়ামত উল্লাহ রিয়াদ বিশেষ প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রাম জেলাপরিষদ কর্তৃক সন্দ্বীপ উপজেলায় ১৪ কোটি ৭ লক্ষ টাকা দিয়ে তৈরী করা হচ্ছে আধুনিক গুপ্তছড়া নৌজেঠি বা নৌ বন্দর।
উক্ত কাজ নিয়ে জনমতে বিভ্রান্তি দেখা দেওয়ার ফলে, সন্দ্বীপ উপজেলা তিন উদ্ধতন জনপ্রতিনীধীরা দ্বীপের স্বার্থে সঠিক তথ্য বিবৃতি পেশ করার দাবী -দ্বীপের সচেতন জনগণের।
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ কর্তৃক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয় তার সৎ ইচ্ছায় সন্দ্বীপ উপজেলা জনগণের সুবিধার্থে পন্যবাহী মালামাল সহজে খালাস করা ও সন্দ্বীপের জনগণের সুশৃঙ্খল যাতায়াতের জন্য দ্বীপবন্ধু জেটি চলমান কাজের দক্ষিণে বর্তমান চলাচলের পথ গুপ্তছড়া জেটি ব্রিজ থেকে দক্ষিণে গুপ্তচরা জেটি নামক খাল বন্দর প্রকল্প করার সিদ্ধান্ত নিয়ে টেন্ডার আহবান করেন।
উল্লেখ্য এই জেঠি হবে নদীথেকে ৫৫০ মিঃ। যাহা বেড়ীবাঁধ বাহিরে পানি থেকে প্রায় ৮০০ মিটার ভিতরে।যদি খাল বন্দরের কাজ সমাপ্তি হয় জোয়ার ভাঁটা নিয়ে আর কোনো দুঃচিন্তা করতে হবে না। কাদা মারাতে হবে না এই দ্বীপের জনগনের।
এই কাজেরর টেন্ডার আহবান করার পর কন্ট্রাক্টর কে ওয়ার্ক পারমিট দেয়া হয়েছে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।শুনামত বর্তমানে নাকি প্রায় ৫৪ টি পাইলিং এর কাজ করা হয়েছে।
তবে এই কাজ নিয়ে দ্বীপের মানুষরা বলাবলি করতেছে যে, চোখে পড়ার মত কোন কাজের আলামত দেখা পাই নি দ্বীপবাসী।এই প্রকল্পের কাজ নিয়ে পুরো সচেতন মহলের কাছে সমলোচিত।বিশেষ করে সন্দ্বীপে সচেতন নাগরিকরা দাবী করেন এই প্রকল্পের কাজ কেউর চোখে দেখা পড়ছে বলে মনে হয় নি এমনও দাবী করেন।
কিছু লোকবলের সোর্সে বা তথ্যমতে দাবী করেন ৫৪ টি নাকি পাইলিং কাজ হয়েছে।এসব কন্টাক্টর আর আল্লাহ ভালো জানে।আমার মত যদি কাজ করা হয় অথবা ফাইলিং হয়ে থাকে সব ফাইলিং শেষ হলেই ক্যাপ উপরে দৃশ্যমান হবে জেঠি।
এই দিকে সামাজিক যোগাযোগ ফেইসবুক,টুইটারে অনেকে স্টেটাস দিয়ে জানান দিচ্ছে সরেজমিনে কোন কাজ হচ্ছে বলে কেউর চোখেও পড়ে নি।অনেকে বলতেছে পাইলিং করা হয়েছে সেগুলো দ্বীপবন্ধু ব্রীজের নাকি ফটো।যারা বর্তমানে জেঠিতে আছে তারাও নাকি দ্বীপবন্ধু জেঠির কাজের লোক। সঠিক তথ্য জানার স্বার্থে,,,
এই কাজ নিয়ে সঠিক তথ্যর জন্য আমি সন্দ্বীপ উপজেলা জনপ্রতিনীধীদের নির্বাচিত প্রতিনীধী জেলা পরিষদের সদস্য অফতাব খাঁন অমি ভাইয়ের সু-বিবৃতি আশা করছি।
সে সাথে এই দ্বীপের ৪ লক্ষ জনগণের নির্বাচিত দুই জনপ্রতিনীধী- জনাব মাহফুজুর রহমান মিতা এমপি সাহেব ও উপজেলা চেয়ারম্যান মাষ্টার শাহজাহান বি.এ সাহেব এই দুইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে,জেলাপরিষদ কর্তৃক এই কাজটি কি পর্যায়ে আছে কবে নাগাদ সরাসরি কাজটি শুরু হয়েছে কবে নাগাদ শেষ হবে সে বিষয়ে অবগত করলে দ্বীপবাসী জানতে পারবে।যদি চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ কর্তৃক কাজটি শুরু হয়ে থাকে এই কাজটি সঠিকভাবে হচ্ছে নাকি সে বিষয়ে অবগত করবেন।
টেন্ডার আহবানমত উক্ত খাল বন্দর কাজ শেষ করার কথা ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। কিন্তু মহামারি করোনার কারণে কাজের গতি নিন্মে অথবা কাজ বন্ধ আছে এমনিও শুনা যাচ্ছে।
অনেকে আবার এই কাজ নিয়ে বিভিন্ন রকমে মন্তব্য করে যাচ্ছে। অনেকের মত এই কাজ আদৌও শুরু করা হয় নি। অনেকে বলতেছে কাজ শুরু নামে যারা বলছে ফাইলিং করা হয়েছে এসব নাকি গুজুব।এমন কি ফাইলিং সাগরে নিচে এমন বলে চক্রকারে টাকা উত্তোলন করার পক্রিয়া হচ্ছে।পরবর্তীতে টাকা তুলে বলা হবে নাকি ফাইলিং সাগরে স্রোতে চলে গেছে এমন বলার আশাংকা করছে জনগণ।তাই বিষয়টি খোলাসা করার তাগিদে কন্টাক্টর সহ জনপ্রতিনীধীদের সঠিক বিবৃতি আশা করছে জনগণ।।
শোনা যাচ্ছে যে গুপ্তছড়া জেঠির উত্তরে নব নির্মিত দ্বীপবন্ধু জেঠিটি আগামী অক্টোবর মাসে উদ্ভোধন হবে।জেঠির সামনে চড়জাগার ফলে জেঠিটি ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে আছে।বিভিন্ন জনমুখে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানা যাই যে বুয়েটের ইন্জিনিয়াররা এসে নির্দেশনা দিয়ে যান সামনে আরও কিছু পিলার দিয়ে করে এরপর খাল করে নদী ড্রেজিং জেঠিটি কে উপযোগী করা হবে এতে জনগণের দুর্ভোগ অনেকটা লাগব হবে। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ কর্তৃক গুপ্তছড়া জেটি খাল বন্দর প্রকল্পের কাজ যদি চলমান হয়ে থাকে,ও এই কাজটি যদি বাস্তবায়ন হয় জোয়ার ভাঁটা তোয়াক্কা করা লাগবে না।যে কোন সময় অনায়াসে চলাচল করতে পারবেন বলে মনে করেছেন
রিয়াদ রহমান,এম এস এস রাষ্ট্র বিজ্ঞান
লেখক ও সমাজকর্মী।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরির আরও দেখুন