আজ ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সন্দ্বীপে একজন সম্ভাবনাময় নেতৃত্বের নাম “জাফর উল্যা টিটু”

সন্দ্বীপ প্রতিবেদক
১৯৭৩ সালের মধ্য আগস্টে সন্দ্বীপ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন তিনি। পিতামহ সমাজসেবক ও দানবীর মেরিকান আব্দুর রহমান ছিলেন সমসাময়িক কালের একজন ধনাঢ্য ব্যক্তি। পিতা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই নিয়োজিত আছেন নিবেদিত প্রাণ সক্রিয় আওয়ামীলীগ কর্মি হিসেবে। ১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৭৫ পট পরিবর্তন হয়ে ১৯৮৬ পর্যন্ত তিনি সন্দ্বীপ থানা আওয়ামীলীগের কোষাধক্ষ্যসহ বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ দায়িত্ব খুবই দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। পরবর্তীতে ১৯৮৬/৮৭ সালে দায়িত্ব পান রহমতপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতির এর পর পৌর আওয়ামীগ সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি। বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বর্ণাঢ্য এই রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে উঠা জাফর উল্যা টিটুর স্কুলজীবন শুরু হয় ১৯৭৯ সালের দিকে। ১৯৮৭ সালে সন্দ্বীপের ঐতিহ্যবাহী কার্গিল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তিনি নির্বাচিত হন স্কুল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে। এসএসসি পাশের পর তিনি ভর্তি হন স্থানীয় একমাত্র সরকারী হাজী আব্দুল বাতেন কলেজে। অদম্য মেধাবী এই ছাত্রনেতা ১৯৯১ সালে কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দেশের অন্যান্য স্থানের মতো প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বাঁধার মুখে তিনি একটি দিনের জন্যও থেমে থাকেন নি। বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ অন্তপ্রাণ এই তরুণ বিভিন্ন ক্রীড়া ও সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগঠিত করতে থাকেন শত সহস্র তরুনকে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছড়িয়ে দিতে থাকেন সারা সন্দ্বীপব্যাপি সকল ছাত্র, যুবক ও তরুনদের মাঝে। নিজে উদ্যোগে তিনি গড়ে তোলেন ‘নব প্রজন্মে মুজিব’ নামক এক সামাজিক, সাংষ্কৃতিক সংগঠন।পরবর্তীতে ১৯৯৮ সাল থেকে পর পর দুই মেয়াদে তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অন্তপ্রাণ এই ছাত্রনেতা ছাত্রজীবন শেষে তিনি জড়িয়ে পড়েন আওয়ামী রাজনীতিতে। হাজারো ছাত্রলীগ তৈরীর এই সুনিপুন কারিগর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নিরলসভাবে কাজ করতে থাকেন। খুবই অল্প সময়ে তিনি নেতা-কর্মিদের কাছের মানুষে পরিনত হন। সুখ দুখ আনন্দ বেদনায় তিনি তাদের পাশে থেকে তাদের আস্থা ও ভরসার প্রতিক হয়ে উঠেন। কর্মি অন্তপ্রাণ এই নেতা ২০০৯ সালে তিনি সন্দ্বীপ পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। পাশাপাশি তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্যও মনোনীত হন। বর্তমানে তিনি জেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
২০১১ সালে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে প্রথমবারের মতো সন্দ্বীপ পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিরলস প্রচেষ্টায় দেশের ‘গ’ শ্রেণীর একটি পৌরসভা অল্পকিছু দিনের মাঝে ‘খ’ শেণীতে উন্নীত হয়। রাস্তা, ঘাট, ব্রীজ , কালভার্ট নির্মানের পাশাপাশি সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত একটি পৌরসভা হিসাবে সন্দ্বীপ পৌরসভা আদর্শ পৌরসভা হিসাবে দেশের সর্বত্র সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের ভাগ্য উন্নয়নে আন্তরিক প্রচেস্টার ফল পুরস্কারস্বরূপ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সন্দ্বীপ পৌরসভার মেয়র পদের জন্য আবারও জাফর উল্যা টিটুকে দলীয় মনোনয়ন দেন। জনগনের আস্থা ভালবাসায় তিনি পুনরায় বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন। নেতৃত্বের গুনাবলি, শিষ্টাচার , মানবিক মুল্যবোধ, সাধারন মানুষের অভাব অভিযোগ শোনার অপরিসীম ধৈর্য্য তাকে নেতা-কর্মিদের শেষ আশ্রয়স্থলে পরিনত করে। নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ঘুর্ণিঝড়, ঝড়, জলোচ্ছ্বাসে তিনি ছুটে যান প্রত্যন্ত প্রান্তিক মানুষের কাছে, তাদেরকে সতর্ক করেন, সাহায্য দেন, সমবেদনা জানান। সমাজের অসহায় গরীব মানুষের পাশে আজন্ম তিনি থেকেছেন অভিভাবকের ভুমিকায়। কারও ঘর নেই, কেউ অসুস্থ, কেউ মেয়ে বিয়ে দিতে পারছেন না, কেউ অভাব অনটনে আছেন প্রত্যেককেই তিনি নিজের সাধ্যমত সহযোগীতা করে আসছেন। ছাত্র অবস্থা থেকেই তিনি তার এই মূল্যবোধগুলো অত্যান্ত যত্ন করে লালন করে আসছেন। এইসব গুনাবলী তাকে একজন নেতা থেকে গনমানুষের আপনজন হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ছাত্র, শিক্ষক ইমাম, মুয়াজ্জিন, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে খেটে খাওয়া কুলি মজুর পর্যন্ত সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে তিনি হয়ে উঠেছেন তাদের আপনজন।
জনসেবার পাশাপাশি মুজিব আদর্শের এই অকুতোভয় সৈনিক অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সমাজের সাধারন মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে। ১৯৯৬ সালে নিজ উদ্দোগে প্রতিষ্ঠা করেন, “ নব প্রজন্মে মুজিব’ নামে একটি সামাজিক সাংষ্কৃতিক সংগঠন।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এ সংগঠন দীর্ঘ ২২ বছর ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে।নতুন কর্মি সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি এ সংগঠনটির ব্যানারে সারা সন্দ্বীপব্যাপি আয়োজন করতে থাকেন বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান। নানা প্রতিকূল পরিবেশের মাঝেও অদ্যবদি এই সংগঠনটি মুজিব সৈনিক তৈরীর কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে।
খেলার ছলে যুবকদের সংগঠিত করার উদ্দ্যেশ্যে তিনি নিজস্ব উদ্যোগে চালু করেন, ‘মেয়র কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট নামে একটি অত্যন্ত জমজমাট ও সফল ফুটবল টুর্ণামেন্ট। একজন দক্ষ সংগঠক হিসাবে তিনি আবাহনী ক্রীড়া চক্র, সন্দ্বীপ উপজেলার উপদেষ্টা ও আবাহনী সমর্থক গোষ্ঠী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সদস্য হিসাবে কাজ করে আসছেন।
শিক্ষানূরাগী জাফর উল্যা টিটু মুছাপুর আব্দুল বাতেন উচ্চ বিদ্যালয়, রহমতপুর উচ্চ বিদ্যালয়, থানা উন্নয়ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসাবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তার দায়িত্ব পালন করেন।
২০১১ সাল থেকে তিনি চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয় কমিটি, চট্টগ্রাম জেলা আইন শৃংখলা কমিটি, চট্টগ্রাম জেলা কর্ণধার কমিটি, চট্টগ্রাম জেলা বিদ্যুত কমিটির সদস্য হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এর বাইরেও তিনি সন্দ্বীপ উপজেলা সমন্বয় কমিটি, সময়কাল ও সন্দ্

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরির আরও দেখুন