আজ ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৯ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চন্দইশের-ধোপাছড়িতে সরকারি জায়গা দখল করে বনায়ন করার অভিযোগ

 
মোঃ নেয়ামত উল্লাহ রিয়াদ, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
চন্দনাইশ উপজেলার দূর্ঘম পাহাড়ি এলাকা ধোপাছড়ির অর্বাতইন্যাছড়া এলাকায় ৫০ একরের অধিক সরকারি বনভূমি দখল করে বনায়ন করার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীমহলের বিরুদ্ধে। উপজেলার ধোপাছড়ি দূর্ঘম পাহাড়ি এলাকা অর্বাতইন্যাছড়া এলাকায় প্রায় ৩৫ একর সরকারি বনভূমির গাছপালা কেটে সাবার করে দেয়। বনবিভাগের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে, আগাছা পরিস্কার করে কিছু কিছু জায়গায় বনায়নের উদ্দেশ্যে লেবু চারা, রোপণ করেছে প্রভাবশালী মহল। একইসাথে গাছবাড়িয়া-ধোপাছড়ি সড়কের একই এলাকায় প্রায় ২কিলোমিটার সড়কের পাশে আগুন দিয়ে ঘাস পুড়ে লেবু চারারোপণ করা হয়েছে। জানা যায়, অর্বাতইন্যাছড়া এলাকার অবৈধ দখলদারীরা এ সকল এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন প্রজাতির চারারোপণ করে আসছে। ধোপাছড়ির নুর ছফা থেকে ১০ হাজার টাকা মূল্যে সাড়ে ৩ একর, মোহাম্মদ আলী থেকে ৩০ হাজার টাকা মূল্যে ৮ একর বনভূমি দখল নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান মোরশেদুল আলম ৪০ একরের অধিক বনভূমির গাছপালা কেটে পরিস্কার করে বনায়ন করছে। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান মোরশেদুল আলম অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি বনবিভাগের ১ কড়া জায়গাও দখল করেননি এবং কোন ধরনে বনায়ন করেননি। প্রতিপক্ষের লোকেরা তাকে মিথ্যাভাবে ফাসানোর জন্য এ ধরনের অভিযোগ করেছেন। ধোপাছড়ি বিট কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার বলেছেন, ধোপাছড়ি এবং বৈতরনি দু’টি বিটের দায়িত্ব তাকে পালন করতে হয়। ধোপাছড়িতে ৮ হাজার ৮’শ ৭৭.৭৯ একর ও বৈতরনিতে ১৫’শ একর বিশাল বনভূমি তাকে দেখতে হয়। তাই ধোপাছড়ির অর্বাতইন্যা এলাকায় কে বা কারা বনবিভাগের জায়গা দখল করছে বলে তিনি জানেন না বলে জানান। তবে তিনি খুব শিগ্রই সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি জেনে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানান। স্থানীয় চেয়ারম্যান মোরশেদুল আলমের বিষয়ে তিনি বলেছেন, বনবিভাগের সভায় তিনি ইতিবাচক কথা বলেছেন। যদি কোন ধরনের বনবিভাগের জায়গা দখল করে থাকেন, তবে এ ব্যাপারে সত্যতা পেলে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন কর্তৃপক্ষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরির আরও দেখুন