আজ ৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ গত ১০ তারিখ বিবি এস নিউজ-২৪ পত্রিকাসহ আরো কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত “লামায় বিধবা নারীর উপর হামলা” শীর্ষক সংবাদটির তথ্যগত ভুল রয়েছে। প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে, কে বা কাহারা এক তরফা তথ্য দিয়ে সংবাদটি পরিবেশন করান।ঘটনার প্রকৃত বিবরণ হচ্ছে, খদিজা বেগম আমার স্ত্রীর বোনের মেয়ে হয়। আমরা পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ট আত্মীয় হয় এবং খদিজা আমার সন্তান তুল্য। আমরা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কলেজ পাড়ায় একই আঙ্গিণায় বসবাস করছি। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের মধ্যে (খদিজার স্বামী মরহুম আলাউদ্দিন জীবদ্দাশা থেকে) বসত বাড়ির সীমানা বিরোধ চলে আসছে।ঘটনার দিন ৯ আগষ্ট আমি বসত ঘরের পাশে ড্রেন পরিষ্কার করতে গেলে খতিজা বেগম আমাকে গালি দেয় এবং জুতা ছুড়ে মারে। ” কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে খতিজা বেগম আমাকে লক্ষ্য করে কিছু একটা ছুড়ে মারে। ছুড়ে মারা ওই শক্ত বস্তুটি আমার বাঁ হাতের বাহুতে লেগে কেটে যায়। এসময় আমি রক্তাক্তাবস্থায় সেখান থেকে দৌঁড়ে সদর রাস্তায় এসে প্রতিবেশিদের সহায়তায় লামা সরকারি হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যায়। ডাক্তার আমার কাটা হাতে ৭টি সেলাই দিয়ে ভর্তি করে নেন। প্রতিবাদ লিপিতে ওমর ফারুখ উল্লেখ করেন, “আমার বাসার সেপ্টিট্যাঙ্কির বয়স মাত্র ৬ মাস, যাহা ময়লা পরিপুর্ণ হতে কম করে ১০ বছর সময় লাগবে। সুতরাং ময়লা ছেড়ে দিয়ে চারদিকে দুর্গন্ধ ছড়ানোর প্রকাশিত তথ্যটি গুজব।ওমর ফারুখ তার প্রতিবাদে আরো জানান, নির্বিঘ্নে পানি প্রবাহের জন্য সে ড্রেনের লতাপাতা, পলিথিন পরিস্কার করতে গেলে, খদিজা বেগম ভুল বুঝে কিংবা কিছু না বুঝে গালি-মন্দ দেয়। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে। বাকবিতন্ডা হয়। “খদিজা বেগমের চুলের মুঠি ধরে তাকে স্বজোরে কিল-ঘুসি লাথি মারার বিষয়টি সত্য নহে”। বিধবা খদিজা বেগম আমার স্ত্রীর আপন বোনের মেয়ে, সে আমার সন্তান তুল্য। সুতরাং তাকে প্রহার ও শ্লীলতা হানী করার তথ্যটি কাল্পনিক ও তার মা সুফিয়া বেগমের শেখানো আপত্তিকর বুলি।
আমি এ ঘটনায় লামা থানায় অভিযোগ করেছি। আমার চাল-চলনে সব সময় সামজিকতা রক্ষা পায়। “অশ্লীলতার প্রকাশ পায়” কথাটি মিথ্যা। আমি কারোর প্রতি নির্দয়, হীংস্র ও অশ্লীল আচরন করিনাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরির আরও দেখুন