আজ ১১ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

পর্ব-১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জুড়ে ভাঙাড়ি ব্যবসার আড়ালে চলছে রমরমা চোরাই কারবার।। অল্প দিনেই আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ

ফয়সাল আজম অপু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ছত্রাজিতপুর সহ জেলার প্রতিটি উপজেলার হাট-বাজার, গ্রাম-গঞ্জের আশপাশের এলাকায় যত্রতত্রভাবে গড়ে ওঠা ভাঙাড়ির দোকানের চোরাই পণ্যের জমজমাট ব্যবসা হচ্ছে। চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইচক্রকে অগ্রীম টাকা দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে ভাঙাড়ি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। ফলে অপরাধীরা অর্থের যোগান পেয়ে যেমন তৎপর থাকছে তেমনি অপরাধমুলক কর্মকান্ডে উৎসাহ পাচ্ছে। যেকারণে অপরাধীচক্রের উৎপাত দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। তবে এনিয়ে প্রশাসনের মাথা-ব্যাথা না থাকায় ভাঙাড়ি ব্যবসার আড়ালে অপরাধীচক্র গড়ে তোলার কাজটি এখন ওপেন সিক্রেট। বিনিময়ে পানির দরে চোরাইপণ্য কিনে ভাঙাড়ি ব্যবসায়ীরা আঙুল ফুলে কলা গাছ- রাতারাতি কোটিপতি বনে যাচ্ছে। নির্ভরযোগ্যে বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, শিবগঞ্জ গোটা উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী ঘরভাড়া করে অথবা খুপড়ি ঘর বানিয়ে লাইন্সেস বিহীন ভাঙাড়ি ব্যবসা করে আসছে। টিন, প্লাষ্টিক, তার, পিতল, কাঁসাসহ বিভিন্ন পরিত্যক্ত জিনিস ক্রয়-বিক্রয়ের আড়ালে তারা চোর সিন্ডিকেট তৈরি করে চোরাই ব্যবসা শুরু করেছে। শিবগঞ্জ উপজেলার ছত্রাজিতপুর ছাড়া…

চোরাইকৃত তার কোথায় পেয়েছে জানতে চাইলে তাজরুল বলেন, ধীনগর গ্রামের কালো খোকার ছেলে আলম আমার কাছে বিক্রি করেছে।
চোর আলম ও একই এলাকার ভাঙারি ব্যবসায়ী তাজরুলের এসকল চুরির যোগসাজশ রয়েছে। চুরির মামলা হয়েছে। মামলা নং (৩৬১৮(৩)/১,১৫-৮-২০২১) অবশ্য মূল আসামি আলম পলাতক রয়েছে, তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার হলে তার কাছ থেকে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। এই অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানান ওসি মোজাফফর।

অপরদিকে, এবিষয়ে শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ হোসেন মুঠোফোনে এ প্রতিবেদকে জানান, এবিষয়ে আমি অবগত নয়। কেউ অভোযোগও করেননি। তবে কোন ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী চোরাই মাল কিনেছে এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে তার ছাড় নেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
(চলবে)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরির আরও দেখুন