আজ ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম জিআই পন্য হিসেবে স্বীকৃতির দাবীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

ফয়সাল আজম অপু, চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ


রাজশাহী নয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম জিআই পন্য হিসেবে স্বীকৃতি, আমে ব্যবহৃত ব্যাগ কৃষিপন্য হিসেবে ঘোষনা ও ট্যাক্স মওকুফ, নওগাঁ, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আমের ওজন ৪৬ কেজির নীচে নির্ধারণের দাবীতে ম্যাংগো ফাউন্ডেশনের আয়োজনে সোমবার সকাল ১১ টায় শিবগঞ্জ সরকারী মডেল হাইস্কুল গেট চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সাবেক সচিব জিল্লার রহমান, শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ম্যাংগো ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস, সদস্য সচিব ও সাংবাদিক আহসান হাবিব, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষিপন্য উৎপাদন ও সরবরাহ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুনজের আলম ও ছত্রাজিতপুর আলাবক্স ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আতাউর রহমান মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা রাজশাহী নয় ,চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম জিআই পন্য হিসেবে স্বীকৃতি, আমে ব্যবহৃত ব্যাগ কৃষিপন্য হিসেবে ঘোষনা ও ট্যাক্স মওকুফ, নওগাঁ, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আমের ওজন ৪৬ কেজির নীচে নির্ধারণের দাবী জানান।
ফজলি আম জিআই পন্য হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব পেটেন্ট, ডিজাইন অ্যান্ড ট্রেড মার্ক বিভাগ তাদের ১০ নম্বর জার্নালে রাজশাহীর ফজলি হিসেবে স্বীকৃতির দেয়ার জন্য কাজ করছে।
কিন্তু প্রকৃতভাবে রাজশাহীর চেয়ে ইতিহাস, উৎপাদনের পরিমান ও নানান দিক দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম এগিয়ে রয়েছে বহুকাল থেকে। সবদিক দিয়েই রাজশাহী নয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম জিআই পন্য হিসেবে স্বীকৃতির জন্য অগ্রগন্য। তাই সবদিক দিয়ে রাজশাহী বাদ দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম জিআই পন্য হিসেবে স্বীকৃতি জন্য মানববন্ধনে পূনঃবিবেচনার দাবী জানান আমচাষী, আমসংগঠনের নেতৃবৃন্দ,সাবেক সচিব ও জনপ্রতিনিধিরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আমই সেরা, রাজশাহীর ফজলি বাদ দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম জিআই স্বীকৃতি, উৎপাদনে বেশী, স্বাদে ও ঐতিহ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আমই সেরা, ফজলির উৎপত্তি মালদাহ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ফলের রাজা আম- আর, আমের রাজা ফজলি, ল্যাংড়া ও ক্ষিরসাপাতী, আমের ব্যাগ কৃষিপন্য হিসেবে স্বীকৃতি ও ট্যাক্স মওকুফ আম মৌসুমে ফল আমদানী বন্ধ, নওগাঁ, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আমের ওজন ৪৬ কেজির নীচে নির্ধারণ করা। লেখা প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন ও ব্যানার নিয়ে মানববন্ধনে সবশ্রেনী পেশার মানুষ অংশ নেন। জেলা প্রশাসক বরাবর ম্যাংগো ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয় বলেও জানান ম্যাংগো ফাউন্ডেশনের নেতারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরির আরও দেখুন